গোধূলী ক্যাবারে
অবশেষে প্রকাশ পেলো প্রবর রিপনের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘গোধূলী ক্যাবারে’। সূর্যটা মানুষের কাঁধের উপর ঘুরে ঘুরে অবশেষে চলে এসেছে এই গোধূলীবেলায়,
নক্সী কাঁথার মাঠ
ভূমিকা নক্সী-কাঁথার মাঠ রচয়িতা শ্রীমান্ জসীমউদ্দীন নতুন লেখক, তাতে আবার গল্পটি একেবারে নেহাৎই যাকে বলে- ছোট্ট এবং সাধারণ পল্লীজীবনের। শহরবাসীদের
ফিলোসফির বয়স কত?
জন্মেছি — জন্মাতে হয়েছে তাই। নাহলে মা-বাবা রাগ করতো। কথা বলি — কথা বলতে হয় তাই। না হলে কাছে-পিঠের মানুষসহ
হাওয়া দেখি বাতাস খাই
‘কবিতা হারাইয়া যায় নিয়মানুবর্তিতায়, অনিয়মে কবিরেই খোঁজে।’ -এই লাইনটা ২২ বছর আগে আমার কাছ থিকা ছুইটা যাওয়ার পর কালেভদ্রে আসে;
দেহবণ্টনবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর
“দেহবণ্টনবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর”বইটির সম্পর্কে কিছু কথা: ‘অ’ থিকা শুরু কইরা স্বরবর্ণের সবাইরে কইলাম, ‘শান্টিং ছাড়া সংযােগ নিষিদ্ধ’, ‘চাঁদের বুড়ির
যে জলে আগুন জ্বলে
“যে জলে আগুন জ্বলে” বইয়ের সূচিপত্র * অস্ত্র সমর্পণ * বেদনা বোনের মতো * ইচ্ছে ছিলো * প্রতিমা * অন্যরকম
তোমাকে দেখার অসুখ
বইয়ের ভুমিকা পাঠকের একটি প্রশ্ন আমি অসংখ্যবার শুনেছি। প্রশ্নটা হলো, ‘আমি কখন লেখি?’ দিনের কোন ভাগে? রাতের কোন ভাগে? এই
বিরহ নামের খামে
আমি তো কবি নই, না আবৃত্তিকার, লেখক তো নইই। তবু এমন একটি বইয়ের সম্পাদনার স্বপক্ষে আমার কৈফিয়ত আত্মসন্তুষ্টি মাত্র। কথায়
স্বর্ণ পালক
মন্দ কি তাই যদি হারাইকবিতার-ই সাথেশিশির ভেজা কুয়াশা ঢাকাসূর্য হাসেনা এমন কোনোপ্রাতে— যদি হারাই নদীর চরেশীতের ভোরেবরফ শীতল হাওয়াআর কিছু